Pages

Search This Blog

Showing posts with label Boutique. Show all posts
Showing posts with label Boutique. Show all posts

Thursday, November 15, 2012

আত্ননির্ভরশীলতায় বুটিক হাউস

আত্ননির্ভরশীলতায় বুটিক হাউস

- শামছুল হক রাসেল
গতানুগতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে চাকরির আশায় বসে না থেকে ভিন্নধর্মী পেশা বা ব্যবসায় নিয়োজিত হলে খুব সহজেই উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়া যায়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বুটিক হাউসের ব্যবসার চাহিদা ব্যাপক। ক্রমেই প্রসারিত হচ্ছে এ সেক্টরটি। তা ছাড়া তরুণ-তরুণীরা ফ্যাশনের প্রতি বেশি সচেতন হয়ে উঠেছে। সেই সঙ্গে তাদের এই সচেতনতার ওপর নির্ভর করে দেশে গড়ে উঠছে অনেক ফ্যাশন হাউস, বুটিক হাউস, জরি হাউস ইত্যাদি। দেশের ফ্যাশন বিপ্লবে তরুণদেরই জয়-জয়কার। রাজধানী পেরিয়ে ফ্যাশনের এই বিপ্লব ছড়িয়ে পড়েছে দেশের প্রতিটি ছোট-বড় শহরে। ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম আর সৃজনশীল তরুণদের জন্য বুটিক হাউসের ব্যবসা হতে পারে কর্মসংস্থানের অন্যতম উপায়। বুটিক হাউসকে ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করে যে কেউ হতে পারেন আত্দনির্ভরশীল ও মর্যাদাবান। সেই সঙ্গে বদলাতে পারেন নিজের ভাগ্য। উন্নতির ছোঁয়া লাগতে পারে ক্যারিয়ারে। গতানুগতিক চাকরির আশায় না থেকে যদি নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে এরকম বুটিক হাউস গড়তে পারি তাহলে ভাগ্য বদলে যেতে পারে।

প্রাথমিক প্রস্তুতি : যে কোনো ব্যবসা শুরুর আগে দরকার প্রস্তুতি। সৃজনশীলতা, হাউস বা দোকানের অবস্থান, বিষয়বস্তু নির্ধারণ করে আপনাকে এ ব্যবসায় নামতে হবে। ভালো হয় কোনো প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিজ্ঞতা শেয়ার করা। এটি সহায়ক ভূমিকা রাখে।

পরিকল্পনা : কত টাকা লাগবে, কোথায় ব্যবসাটি লাভজনক হবে, কোন ধরনের পোশাক প্রস্তুত করবেন, কাপড় বা পোশাকে ব্যবহৃত পণ্যগুলো কোথায় পাওয়া যাবে ইত্যাদি জেনে এদের প্রয়োজনীয় ঠিকানা ও ফোন নম্বর জোগাড় করে তবেই বুটিক ব্যবসায় নামা উচিত। সবশেষে প্রয়োজনীয় অর্থ, মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নিয়েই যে কোনো বুটিক ব্যবসায় নামা ভালো। কারণ সবার আগে মনের জোরটাই আসল।

যেভাবে শুরু করবেন : সৃজনশীল মানুষের জন্য বুটিক ব্যবসা হতে পারে একটি আদর্শ পেশা। ছোটখাটো ব্লক বা বুটিকের জন্য প্রাথমিক পুঁজি ৫০-৬০ হাজার টাকার মতো লাগবে। দক্ষ ২-৩ জন কর্মচারী খুঁজে বের করতে হবে, যিনি মেশিনে কাপড় তৈরি ও সেলাই করবেন। এ ছাড়া ব্লক বুটিকের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য যেমন_ টেইলারিং মেশিন, কাঠের ডাইস, রং, বিভিন্ন রংয়ের সুতা, সুই ও সবশেষে কাপড় লাগবে। এসব পণ্য কেনা যাবে ঢাকার গাউছিয়া, চকবাজার, চাঁদনীচক, নিউমার্কেটের দোকানগুলোতে। পণ্য কেনার আগে একজন দক্ষ লোকের সহায়তা নিলে উপকৃত হবেন। বুটিক হাউসে বিনিয়োগ নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানটি কোথায়, কী আকারে, কী ধরনের করবেন, ধরনের ক্রেতা আকর্ষণ করবেন তার ওপর।

বাজারজাতকরণ : দেশে এবং দেশের বাইরে বুটিক হাউসের নিজস্ব পোশাকের যথেষ্ট কদর রয়েছে। তবে সেটি নির্ভর করে পণ্যের ডিজাইন, কাপড়ের সেলাই, গুণগত মান, আধুনিকতা ও ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার ওপর। ক্রেতাদের সন্তুষ্টি এবং ধারাবাহিকতা বজায় থাকলেই পণ্যটি ভালো চলবে। শুরুতে আত্দীয়-স্বজন, প্রতিবেশী বা মহল্লার সবাইকে জানিয়ে ব্যবসাটি আরম্ভ করা ভালো। এতে একটা নিজস্ব ক্রেতাগোষ্ঠী গড়ে উঠবে। কম মূল্যে একটি ভালো ও আধুনিক মানের পোশাক সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে এগুলেই দিন দিন সুনাম বাড়বে। ব্যবসাও সম্প্রসারিত হবে।

যোগাযোগ : পোশাক তৈরি শেষে এগুলো বিক্রির জন্য বড় বড় পাইকারি মার্কেট, চকবাজার বা নিউমার্কেটের অভিজাত দোকানগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন। নিজস্বতা প্রমাণ করে এসব প্রতিষ্ঠানে পাইকারি হারে পোশাক সরবরাহ করতে হবে। খরচ বাদে লাভের একটা অংশ নির্দিষ্ট করেই পোশাক বাজারে ছাড়তে হবে।

প্রশিক্ষণ : বুটিক হাউস তৈরি বা এ ব্যবসা শুরু করার আগে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। এসব প্রতিষ্ঠানে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কোর্স সম্পন্ন করে পা রাখতে পারেন এ সেক্টরে। বদলাতে পারেন আপনার ভাগ্য, গড়তে পারেন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। সবচেয়ে বড় কথা, হওয়া যায় আত্দনির্ভরশীল। 


Wednesday, November 14, 2012

আপন ঘর

আপন ঘর 

আপন ঘর ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে মূলত রান্না শেখার কোর্স এবং বিউটি পার্লারের কোর্স করানো হয়ে থাকে। শুধুমাত্র মহিলাদেরই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। এখানে সর্বমোট ২৭ টি রান্নার আইটেম শিখানো হয়ে থাকে। কোন প্রকার সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
 
অবস্থান ও ঠিকানা
মিরপুর রোড ধরে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কের মাথায় নেমে ১০০ গজ পশ্চিমে গিয়ে প্রথম গলিতে ১০ গজ সামনে গিয়ে হাতের ডান পাশের ভবনের  ২য় তলায় আপন ঘরের অফিস। ঠিকানা বাসা# ১৫, রোড# ২৭ (পুরাতন), ধানমন্ডি, ঢাকা।
যোগাযোগের ফোন নম্বর- ৮১৫১৪৫৫, ৮১৫৬৫৩৮ এবং মোবাইল- ০১৮১৯-২৭২১৬০।
ই-মেইল- moniraoo@yagoo.com,
 
ভর্তির নানা দিক
  • ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার তেমন প্রয়োজন হয় না।
  • ফরমের জন্য আলাদা কোন মূল্য প্রদান করতে হয় না।
  • সারা বছরে যেকোন সময় যোগাযোগ করা যাবে।
  • ভর্তির জন্য সরাসরি “আপন ঘরের” অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।
  • ভর্তি ফরম পূরন করে শুধুমাত্র  কোর্স ফির টাকা জমা দিয়ে মানি রশিদ সংগ্রহ করতে হয়। কোর্স ফির টাকা এককালীন পরিশোধ করতে হয়।
  • কোন প্রকার ভর্তি ফি প্রদান করতে হয় না।
 
কোর্স ফি
রান্না
  • থাই চাইনিজ রান্না মোট ২২ পদ- ১৫০০ টাকা।
  • কনফেকশনারী মোট ২৩ পদ- ১৫০০ টাকা।
  • স্পেশাল স্ন্যাকস মোট ৮ পদ- ১০০০ টাকা।
  • মোগলাই রান্না মোট ১৬ পদ- ২০০০ টাকা।
  • আচার মোট ১৬ পদ- ১০০০ টাকা।
  • থাই স্পেশাল রান্না ৮ পদ- ১২০০ টাকা।
  • ইংলিশ ফুড ৮ পদ- ১৪০০ টাকা।
 
বিউটি পার্লার
  • প্রফেশনাল বিউটি শিয়ান কোর্স- ২৫০০ টাকা।
  • পার্সোনাল বিউটিশিয়ান কোর্স- ৭০০০ টাকা।
  • হেয়ার ড্রেসিং কোর্স ৫০০০ টাকা।
  • পার্সোনাল মেক-আপ কোর্স ৪০০০ টাকা।
 
অন্যান্য
  • সেলাই কাটিং ৩০০০ টাকা।
  • বাটিক প্রিন্ট ২০০০ টাকা।
  • ব্লক প্রিন্ট ১০০০ টাকা।
  • হাতের এমব্রয়ডারী ২০০০ টাকা।
  • মেশিন এমব্রয়ডারী ৩০০০ টাকা।
  • ফেব্রিক প্রিন্ট ১০০০ টাকা।
  • ড্রাই ফ্লাওয়ার ২০০০ টাকা।
 
এছাড়া সনদপত্র সংগ্রহের জন্য আলাদা ২০০ টাকা এবং  কেউ কোন রেসিপি পুনরায় দেখতে চাইলে প্রত্যেক রেসিপির জন্য অতিরিক্ত ২০০ টাকা প্রদান করতে হয়।
 
শিক্ষার্থীদের জন্য
  • কোর্সের মেয়াদকাল তিন মাস।
  • ক্লাস সমূহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।
  • প্রত্যেক ক্লাসের ব্যাপ্তিকাল ২ ঘন্টা। 
  • প্রত্যেক ব্যাচে ১২ জন করে ক্লাশ করে থাকে।
  • পরীক্ষা নেওয়ার জন্য কোন আলাদা কক্ষ নেই।
  • কোন বৃত্তি সুবিধা নেই।
  • আবাসিক সুবিধা নেই।
  • প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব লাইব্রেরী নেই।
  • কোর্স শেষে সাটিফিকেট প্রদান করা হয়ে থাকে।
  • কোর্সের সকল উপকরণ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়ে থাকে।
 
বিবিধ
  • শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য দুটি টয়লেট রয়েছে।
  • অগ্নি নির্বাপণ সরঞ্জাম নেই।
  • কোন ছাত্রী টানা ২ সপ্তাহ ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে তার ভর্তি বাতিল করা হয়।
  • কোর্সের সময় প্রদান করা রেসিপি বুক হারিয়ে গেলে কোর্স ফির রশিদ এবং অর্ধেক কোর্স ফি প্রদান করলে পুনরায় রেসিপি বুকটি সংগ্রহ করতে পারে শিক্ষার্থী।

Thursday, October 4, 2012

ফ্যাশন ডিজাইনে গড়ে উঠুক স্বপ্নের ক্যারিয়ার (ফ্যাশন ডিজাইনে পড়ানোশা সম্পর্কে অনেক তথ্য রয়েছে)

ফ্যাশন ডিজাইনে গড়ে উঠুক স্বপ্নের ক্যারিয়ার (ফ্যাশন ডিজাইনে পড়ানোশা সম্পর্কে অনেক তথ্য রয়েছে)

- অব্যক্ত ভালোবাসা

 
পোষাক শিল্পে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে অনেকদিন থেকেই। দেশজুড়ে হাজার হাজার গার্মেন্টস, বায়িং হাউজ, ফ্যাশন হাউস আর বুটিক হাউস গড়ে ওঠার ফলে এসব খাতে দক্ষ জনবলের চাহিদা রয়েছে। আর রয়েছে নানান ধরনের পেশায় ক্যারিয়ার গড়ে তোলার সুযোগ।

যেসব পেশার চাহিদা বেশি :পোশাক শিল্পে চাহিদাসম্পন্ন, উচ্চ আয়ের এবং যুগোপযোগী পেশা বায়িং বা গার্মেন্টস মার্চেন্ডাইজিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফ্যাশন ডিজাইনিং প্রভৃতি। আর এসব পেশাদার শ্রেণীর চাহিদা মেটাতে দেশ ছাড়াও দেশের বাইরে থেকে যেমন দক্ষদের নিয়ে আসা হয়, তেমনি এ দেশের প্রশিক্ষণার্থীরা বাইরে গিয়ে বাইরের দেশের পোশাক শিল্পেও চাকরি করছে। তবে এর জন্য প্রয়োজন মানসম্মত প্রশিক্ষণ। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়ালেখা করলে কেবল চাকরি নয়, নিজেই গড়ে তোলা যায় সহযোগী সব প্রতিষ্ঠান। সেক্ষেত্রে নিজেই অনেককে চাকরি দিতে পারবেন। এগুলো যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং, সম্মানজনক ও আকর্ষণীয় পেশা এবং এর বেতনও অন্যান্য পেশার তুলনায় অনেক বেশি।

প্রশিক্ষণ :পোশাক শিল্পে উচ্চ আয়ের চাকরির জন্যে ফ্যাশন টেকনোলজিতে কয়েক ধরনের প্রশিক্ষণ ও ডিগ্রি রয়েছে। রয়েছে ছয় মাস বা এক বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স, অন্যদিকে উচ্চ ডিগ্রির ক্ষেত্রে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি, অ্যাপারেল ম্যানুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজি, নিটওয়ার ম্যানুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজি বিষয়গুলোর উপর অনার্স এবং এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং প্রভৃতি ডিগ্রি। এসএসসি, এইচএসসি সম্পন্ন করে যেকোনো বয়সের শিক্ষার্থীরা ফ্যাশন বা গার্মেন্টস টেকনোলজিতে অনার্স এবং স্নাতক পাস করার পর এমবিএ ডিগ্রি নিতে পারে।

খরচ :অন্যান্য ডিগ্রি তুলনায় এসব ডিগ্রিতে খরচ একটু বেশি হলেও খুব অল্প সময়েই অর্জন করা যায় এই ডিগ্রি। ফলে জীবনের মূল্যবান সময় সাশ্রয় হয় এসব ডিগ্রি অর্জনে। আবার শিক্ষা শেষ হওয়ার আগেই খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ রয়েছে। ফলে নিজের পড়ালেখার খরচ নিজে কাজ করেও মেটানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। মেধা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপ পেয়ে অনেকে নামমাত্র ব্যয়ে এসব কোর্স সম্পন্ন করতে পারে। বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় প্রশাসনসহ সব বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা এ বিষয়ে পড়তে পারবেন। সাধারণত এ জন্য খরচ হবে প্রতি ক্রেডিট ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত।

চাকরির বেতন :সরকারি-বেসরকারি বা দেশি-বিদেশি টেক্সটাইল মিল, বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শিল্পে চাকরি করতে গিয়ে প্রাথমিক অবস্থায় ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা বেতন পাওয়া যায়। তবে কাজের দক্ষতা আর অভিজ্ঞতার উপর দ্রুত বাড়তে থাকে বেতন। অনেক ক্ষেত্রে ২/৩ বছরের মধ্যেই ৭০-৯৫ হাজার টাকা বেতন হয়ে যায়। সাথে বাড়ে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা।

তথ্যসূত্রে: দৈনিক ইত্তেফাক ও অনলাইন ঢাকা গাইড

এরকম ক্যারিয়ার, স্বাস্থ্য, রূপচর্চা, ফ্যাশন, জীবন ও জীবিকা, ঘর গৃহস্থালি সহ বিভিন্ন বিষয়ে হাজার হাজার ফিচারের এক বিরাট সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছে অনলাইন ঢাকা গাইড ফিচার বিভাগ। ভিজিট করে দেখতে পারেন। আশা করি ভালো লাগবে।
ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

ঢাকায় অবস্থিত একাধিক ফ্যাশন ডিজাইন কোর্স প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তথ্য জানতে নিচের লিংকগুলো দেখুন
* ন্যাশনাল ইনষ্টিউট অফ ফ্যাশন টেকনোলজি
* এশিয়ান ফ্যাশন ইনষ্টিটিউট
* এক্সটেরিয়র ও ইন্টেরিয়রস (প্রাঃ) লিঃ
* রেডিয়েন্ট ইনষ্টিটিউট অব ডিজাইন


Sunday, August 12, 2012

ঈদ ঘিরে ব্যস্ত খোকসার বুটিক শিল্পীরা

ঈদ ঘিরে ব্যস্ত খোকসার বুটিক শিল্পীরা

সিরাজ প্রামাণিক খোকসা (কুষ্টিয়া)
ঈদ যতই এগিয়ে আসছে, কুষ্টিয়ার হস্তশিল্প বুটিকস কারিগরদের ব্যস্ততাও তত বাড়ছে। ঈদ ঘিরে এখন ব্যস্ত কুষ্টিয়ার ৬টি উপজেলার ৫ সহস্রাধিক বুটিকস নারী কারিগর। কোনো মেশিনে নয়, ঘরের মেঝেতে কাঠের পাটাতনে নিজেদের উদ্ভাবিত কৌশলে বিভিন্ন রঙের শাড়িকে চারকোণায় বেঁধে বাহারি রং-বেরঙের পাথর বসিয়ে তৈরি করছে নান্দনিক ও মনোমুগ্ধকর নকশা। কুমারখালী সাদিয়া বুটিক হাউসের কারিগর রিনা জানান, অন্যান্য বছরের মতো এ বছর এখনও তেমন কাজ পাওয়া যায়নি। আধুনিক মেশিনের তৈরি ভারতীয় লেইস বাজারে আসার কারণে পাথরের তৈরি বুটিকের চাহিদা তুলনামূলক কমে গেছে। তারপরও শৌখিন রমণীরা তাদের পছন্দসই শাড়ি বা বোরকা পছন্দ করেন। আশা করছি এখনও প্রয়োজনীয় অর্ডার পাব। তিনি জানান, এখানে মেশিনে কোনো কাজ করা হয় না। গ্রাহকরা তাদের পছন্দমত শাড়ি বা বোরকার কাপড় এনে দেন। আমরা শুধু ক্যাটালগ দেখে বিভিন্ন ডিজাইনের নকশা ও পাথর বসিয়ে কাজ করি। নকশার কাজে ওয়েট লেইস, মাখন, লেদার জর্জেট, পাথর, জরি, চুমকি, মাল্টি পুঁতি ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। কাপড় ও কাজের মান অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হয়। যেমন ছফুরা সিল্ক এক নাম্বার কাপড়ের শাড়ি সর্বনিম্ন ৩৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫০০ টাকা আবার ডিজাইন ভেদে ১২০০০ টাকাও এক-একটি শাড়ির দাম পড়ে। ১৫ বছর ধরে পাথরের ওপর বুটিকের কাজ করা শিল্পী রুমকি জানান, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ৬ মাস আগে থেকে কাজ শুরু করা হয়। গ্রাহকরা নিজেরা এসে কাপড় দিয়ে অর্ডার দিয়ে যান। বুটিকস পল্লীর সাদিয়া ফ্যাশন, রুমী ফ্যাশন, রিন্তু ফ্যাশনের এ কাজে যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। শুধু খোকসা-কুমারখালীতে ব্যক্তি প্রচেষ্টায় সাদিয়া, সোনালী, রানু, নদিয়া ক্রাফট, কুষ্টিয়া ও কুমারখালী হস্তশিল্প নামে শতাধিক হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ অঞ্চলের মানুষ একসময় হস্তশিল্প বলতে বুঝত পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে আমদানি করা মেশিন ও হাতে বিভিন্ন ধরনের নকশা করা শাড়ি ও থ্রি-পিস। কিন্তু এখন শাড়ি ও থ্রি-পিসে বাহারি নকশায় কাজ হচ্ছে কুষ্টিয়াতেই। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত নারীরা জোর দাবি করে বলেন, তাদের কারখানায় কাজ করা শাড়ি ভারত থেকে আমদানি করা শাড়ির চেয়ে অধিক মানসম্পন্ন। এখানকার বুটিকস শিল্পীরা জানান, তারা পূর্বপুরুষের কাছ থেকে শেখা পদ্ধতিতে কাজ করে যাচ্ছেন। একটি শাড়ি বা বোরকায় পাথরের কাজ করতে ৩-৪ জন কারিগরের এক সপ্তাহ থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত লাগতে পারে। কুমারখালীতে রয়েছে সাদিয়া ও সোনালী হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান। এই দুটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এখন ৫ শতাধিক নারী প্রশিক্ষণ নিয়ে চলেছেন। এ দুটি প্রতিষ্ঠানে নারীরা প্রশিক্ষণ গ্রহণের ৩ মাস পর্যন্ত পান সাড়ে ১৫শ’ টাকা করে প্রশিক্ষণ ভাতা। প্রশিক্ষণ শেষে একটি শাড়ির নকশা অনুযায়ী শাড়িপ্রতি ২০০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন।
সোনালী হস্তশিল্পের পরিচালক রিনা জানান, একজন দক্ষ প্রশিক্ষিত নারী মাসে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। ঢাকার গাউছিয়া মার্কেটের আল হেলাল ফ্যাশন এখানকার হস্তশিল্পের নকশা করা শাড়ি বাজারজাত করছে।
 

 

Friday, July 20, 2012

স্বাবলম্বী হতে বুটিকের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ৪০ মহিলা

স্বাবলম্বী হতে বুটিকের
প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ৪০ মহিলা


নিজস্ব সংবাদদাতা

শ্রীরামপুর, ৪ঠা অক্টোবর— হুগলীর গরলগাছা গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে স্থানীয় কৃষ্ণপুর ও গরলগাছা গ্রামের ৪০ জন মহিলা স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে ফেবরিক ও বুটিক শাড়ির প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ফেবরিকের কাজে শাড়ির উপর নানা রঙের রকমারি ডিজাইন করা এবং বুটিকের কাজে শাড়িতে সূঁচের বুননে নানা ছবি ফুটিয়ে তুলতে নিষ্ঠার সঙ্গে তালিম নিচ্ছেন মহিলারা।

এখানকার আঁখি, সাগর, আলো, আশীর্বাদ, তুফান ও মা শীতলা দলের ৪০ জন মহিলা এই দু’রকমের শাড়ির ওপর কাজ শিখে ভবিষ্যতে আয়ের পথ পাবেন। মলিনা দাস, সোমা পল্লে, ফাল্গুনি কোলে, সুস্মিতা কাঁড়ার, নমিতা পল্লে, মীরা পল্লে, নীলিমা জানা, মঞ্জু মুদি, অপর্ণা মান্না ঘরের কাজ সেরে স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরি করে হাতের কাজের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তাঁদের কথায় ৬ মাস প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রতিটি দলই মিলিতভাবে শাড়ির ব্যবসা করবে।

ইতোমধ্যেই জেলার চিকন শিল্পের বিখ্যাত স্থান বাবনান বাজারে তাঁরা যোগাযোগ করেছেন। প্রশিক্ষক বিনয়কুমার ঘোষ জানালেন, এ ধরনের শাড়ির চাহিদা রয়েছে। দামও ভালো পাওয়া যায়। তবে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের নিয়ে হাব তৈরি করলে ভালো ফল মিলছে। এছাড়াও বিপণনের জন্য সরকারী মেলায় যাতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর উৎপাদিত জিনিসপত্র বিক্রির সুযোগ আরো বাড়ালে এরা উপকৃত হবেন।

গরলগাছা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রাইচরণ ব্যানার্জি জানালেন, এদের স্বাবলম্বী করে তুলতে পঞ্চায়েত সবরকম সাহায্য করবে।


Source: http://ganashakti.com

Tuesday, December 28, 2010

নারী কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ প্রবাসী শাহাজান আসুকের প্রসংসনীয় উদ্যোগ

নারী কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ প্রবাসী শাহাজান আসুকের প্রসংসনীয় উদ্যোগ

- অনুজ কািন্ত দাশ


সমাজে নারী শক্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রথমেই নারীদেরকে হতে হবে স্বাবলম্বী ও আত্মোন্নয়নশীল। শিক্ষাক্ষেত্রে যেমন নারীদের উৎসাহিত করছে সরকার, তেমনি কারিগরি প্রশিক্ষণেও নারীদের যথেষ্ট সুযোগ সুবিধা থাকা প্রয়োজন। সমাজে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের সম-ভাবনা ও সম-বিকাশ বর্ধনের লক্ষ্যে দৃষ্টান্তমূলক কর্মের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, এমনই উক্তি করেছেন মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ ইউনিয়নের চাঁনভাগ গ্রামের বাসিন্দা আমেরিকা প্রবাসী মোঃ শাহাজান মিয়া আসুক।
দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় বসবাস করলেও দেশ ও দেশের মানুষের সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন শাহাজান আসুক। তাই সমাজে নারীর প্রতি অগ্রণী ভূমিকা প্রদর্শন করে নারীশক্তিকে জাগ্রত করতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজগ্রামে গড়ে তুলেছেন নারীদের জন্য সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। যেখান থেকে গ্রামের অসহায়, দুঃস্থ, নিপিড়িত নারীরা বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণ শেষে আত্মনির্ভরশীল হয়ে বর্তমান পুরুষ শাসিত সমাজে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে।
নারীর প্রতি সহিংসতা প্রদর্শন ও সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন প্রবর্তনের ভিত্তিতে ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে শাহাজান আশুক দেশে ফিরে মৌলভীবাজরের উত্তরভাগ ইউনিয়নের চাঁনভাগ গ্রামের ধামাইপারে (নিজগ্রামে) মায়ের নামে গড়ে তুলেছেন আফতেরাবানু ফ্রি টেইলারিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। প্রথমে ৩০ জন নারীসদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে প্রথম বছরেই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি এগিয়ে এসেছে উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় ১০/১২ টি গ্রামের নারী উন্নয়নের অগ্রদূত হিসেবে।
প্রতিদিন ৩ সিপ্টে পরিচালিত হয় এ প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণ কর্মসূচী। মহিলাদের মধ্যে সেলাই, বুবন ও বুটিক সহ নানা ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি প্রতিমাসে নগদ ৫০০ টাকা করে ভাতাও প্রদান করা হয় এসকল প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে। নারী কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ শাহাজান আসুক এ প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে এলাকার মানব কল্যাণ ও নারী উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিতে সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত রেখেছেন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের। বর্তমানে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তার ছোটভাই মোঃ সোহরাব হোসেন।
মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মধ্যে উত্তরভাগ ইউনিয়নের চানভাগ, বড়দল, আয়পুর, মুকুটপুর গ্রাম মুন্সিবাজার ইউনিয়নের মেদিনীমহল, সোনাটিকি, গয়াসপুর, ইন্দেশ্বর চা-বাগান ও ফতেপুর ইউনিয়নের তোলাপুর সহ আরো বিভিন্ন গ্রামের অসংখ্য নারী প্রশিক্ষণার্থীরা এ প্রতিষ্ঠান হতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। প্রশিক্ষণ শেষ করে এরা নিজ নিজ বাড়িতে বসেই সেলাই বুবনের মাধ্যমে সংসারের আয় রোজগারের পাশাপাশি নিজেরা স্বাবলম্বী হতে শিখেছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ আবার চাকুরিও করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে।
সমাজের নারী বৈষম্য দূর করতে পুরুষদের পাশাপাশি নারী অধিকারের সুষম বন্টন ও প্রবৃদ্ধিকল্পে শাহাজান আসুক যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তার ভুয়সী প্রসংসা করেছেন উত্তরভাগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ কবীর মিয়া। এছাড়াও স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ ফারুখ মিয়া, মঈন উদ্দিন, বাদল চক্রবর্তী, শাহ্ আরব আলী, শাহ্ জুনাব আলী, যশোদা রঞ্জন দেব, শাহ্ লুৎফুর রহমান, ছমরু মিয়া প্রমূখ ব্যক্তিরা আবতেরাবানু ফ্রি টেনলারিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা ব্যক্ত করেছেন। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান, মোঃ কবীর মিয়া বলেন, ‘শাহাজাহান আসুক প্রবাসে থেকেও দেশমাতৃকার টানে তিনি জনকল্যাণে তথা নারী কল্যাণে যে ত্যাগী ভূমিকা রেখেছেন তা সত্যিই অতুলনীয়।’ তিনি আরও বলেন, এমনিভাবে যদি দেশের সকল গ্রামের বিত্তশালীরা জনকল্যাণে এগিয়ে আসতেন তাহলে দেশ হতে কবেই বেকারত্ব দূর হয়ে যেতো পাশাপাশি সমাজে নারী অধিকারও প্রতিষ্ঠিত হতো।

Wednesday, May 12, 2010

এসএসসির পর বুটিক হাউসের কাজ শুরু করি- তানভীন সুইটি

তারকার ভিন্ন পেশা:এসএসসির পর বুটিক হাউসের কাজ শুরু করি- তানভীন সুইটি, প্রতিষ্ঠাতা সুইটি বুটিক হাউস 
  আমি ছোটবেলা থেকেই একটু ফ্যাশনেবল। আব্বু যখনই নতুন পোশাক কিনে দিতেন, তখন ভাবতাম এই পোশাকটার ডিজাইন ভালো হয়নি, রংটাও মিলেনি_এসব। তখন থেকেই একটা স্বপ্ন ছিল নিজেই একদিন পোশাকের ডিজাইন করব। নিজের পছন্দমতো পোশাক পরিবারের সবাইকে পরাব, নিজেও পরব।
সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে এসএসসি পরীক্ষার পর যে অবসর সময়টা ছিল তখন ডিজাইনের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলাম। আর এসএসসি পাসের পর বুটিক হাউসের কাজ শুরু করলাম। প্রথম নিজের জন্য এবং পরিবারের জন্য করলেও পরে বন্ধুবান্ধব পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে বেনামেই যাত্রা শুরু করে আমার এই বুটিক হাউসটি। শেষমেশ বন্ধুবান্ধবদের পীড়াপীড়িতে এর নাম দেওয়া হয় সুইটি বুটিক হাউস।
তখন আমি সবেমাত্র মডেলিং শুরু করেছি। টুকটাক কাজ করি। কয়েক মাসের মধ্যেই আমার এই বুটিক হাউসটা বন্ধুবান্ধব এবং অত্দীয়স্বজনের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। প্রতিটি মানুষের প্রতিটি কাজের পেছনেই কোনো না কোনো মহৎ ব্যক্তির অনুপ্রেরণা থাকে। যাকে অনুসরণ করেই মূলত মানুষ সামনের দিকে এগোয়। আমার অভিনয়জীবনের যেমন আইডল আছে। তেমনি আমার বুটিক হাউস গড়ার এবং ফ্যাশন ডিজাইনিং জীবনেও আইডল আছে। বিবি রাসেল, শাহরুখ শাহিদ_এদের কাজ আমার ভালো লাগত। জীবনে প্রথম রোজগার করেছিলাম পাঁচ হাজার টাকা। তখনো এসএসসি পরীক্ষা দিইনি। ফিলিপস কম্পানির ক্যালেন্ডারের মডেল হয়ে ওই টাকা পেয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সেই টাকার অর্ধেকও আম্মুর হাতে দিতে পারিনি। কারণ আমার বন্ধুরা ভীষণ দুষ্টু, ওরা আমাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে অর্ধেকের বেশি টাকা দিয়ে চায়নিজ খেয়েছিল। এতে অবশ্য আমার কোনো দুঃখ নেই। কারণ সেদিন বন্ধুরা মিলে অনেক মজা করেছিলাম। শত চেষ্টা করেও সেদিনটা কি আর ফিরে পাব?
এরপর ব্যস্ত হয়ে পড়লাম পুরোদমে, থিয়েটার স্কুলে ভর্তি হলাম। থিয়েটারে কাজ করতে শুরু করলাম, সঙ্গে মডেলিং এবং অভিনয়। ব্যস্ততার মাঝেও চালিয়ে যাচ্ছি আমার নিজের হাতেগড়া বুটিক হাউসটি। মূলত ফ্যাশন ডিজাইনটা হলো সময়ের ব্যাপার। সময় নিয়ে ধীরেসুস্থে করতে হয়_কোন সময় কোন ডিজাইনটা মানুষের মনকে আকৃষ্ট করবে, কোন রংটা দিলে ভালো লাগবে ইত্যাদি। চিন্তা করেই ডিজাইন করতে হবে। কিন্তু ইদানীং খুব একটা সময় করতে পারছি না। মাঝেমধ্যে মনে হয়, অভিনয় ও মডেলিং বাদ দিয়ে ফ্যাশন ডিজাইন নিয়েই থাকি। সময়-সুযোগ কোনোটিই হয় না। তবে ইচ্ছা আছে পুরোদস্তুর ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়ার।